Tuesday, October 1, 2019

কম্পিউটার কাকে বলে?

কম্পিউটার কাকে বলে


বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার বিষয়টি  অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ আজ বর্তমান বিশ্ব  কম্পিউটার ছাড়া অচল। পৃথিবীর বড় বড় অফিস আাদলত থেকে শুরু করে  আজ ছোট ছোট সব কাজেই  কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা  অনেকই কম্পিউটার কাকে বলে তা ও টিকমত জানি না। ত চলুন কম্পিউটার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাক। 

কম্পিউটার বলতে  যা বুঝিঃ-

কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি  বৈদ্যুতিক যন্ত্র যাকে আমরা যেকোনো তথ্য  নির্দেশ করি এবং সে অনুযায়ী ইনপুট নেওয়া ব্যবস্থা  থাকে এবং নির্দেশ সেই তথ্য  আউটপুটের ব্যবস্থা  থাকে। অর্থাৎ কম্পিউটার হলো এমন বৈদ্যুতিক যন্ত্র যার সাহায্যে আমরা কোনো তথ্য প্রধান করলে তা চাহিদা অনুযায়ী  প্রসেস হয়ে  আমাদের সামনে  উপস্থিত হয়।       


কম্পিউটার শব্দের উৎপত্তিঃ-

কম্পিউটার শব্দ হচ্ছে  ইংরেজি শব্দ Computer থেকে  এসেছে। এই Computer শব্দ  গ্রিক শব্দ  Compute  থেকে এসে। যার অর্থ হলো  গননা  করা। আর  Computer শব্দের অর্থ গননা কারী যন্ত্র।  

কম্পিউটার এর জনকঃ-

কম্পিউটারের আবিস্কারকের নাম  নিয়ে নানা মতবিরুধ থাকলেও , সর্বপ্রথম কম্পিউটার আবিষ্কার করেন "হাওয়ার্ড অ্যইকন " সেই আবিষ্কার এর পর থেকে কম্পিউটার প্রতিনিয়ত উন্নত করার চেষ্টা চলতে শুরু হয়  হয়।   আর তাই কম্পিউটারকে  আধুনিক কার  হয়৷      আর এই আধুনিক কম্পিউটার এর জনক হলো " চার্লস ব্যাবেজ"     । 

কম্পিউটার এর যন্ত্রপাতিঃ-

কম্পিউটার চালানোর জন্য অনেক    যন্ত্রের প্রয়োজন হয়   এই সব যন্ত্র ছাড়া কম্পিউটার নিজে নিজে কাজ করতে  পারে না  সেই যন্ত্র গুলো হলো-
*মনিটর 
*হার্ডডিস্ক 
*মাদারবোর্ড 
*প্রসেসর 
*রেম 
*রম 
*কি বোর্ড
*মাউস
*স্পিকার
 এগুলো হলো কম্পিউটারের প্রধান যন্ত্রপাতি  তাছাড়াও আরও কয়েকটি যন্ত্রপাতি রয়েছে যেমন -
*গ্রাফিক্স কার্ড
*ওয়েব ক্যমেরা
*  IPS
*ইন্টারনেট সংযোগ    
ইত্যাদি ব্যবহার  করা যা। 
কম্পিউটার দিয়ে যেসব কাজ  করতে পারিঃ-

কম্পিউটার দিয়ে আমরা পৃথিবীর প্রায়  সব কাজ করতে পারি ।  কম্পিউটার  এর  প্রযুক্তি উন্নতি ফলে  যেকোনো কাজ অতি সহজে  করতে পা।যেমন-
*হিসাব করা 
*লেখালেখি 
* ছবি  এডিটিং 
* আইডি কার্ড  তৈরি 
*প্রগামিং
*রবোট তৈরি 
*রবোট নিয়ন্ত্রণ 
*বই পড়া
*গান শোনা 
*ভিডিও দেখা 
* গেইম খেলা 
*গেইম তৈরি
*ইন্টারনেট চালানো  সহ  
কম্পিউটার ব্যবহার করে ঘরে বসে       আয় করা সম্ভব।

কম্পিউটার  On করার নিয়মঃ-

 কম্পিউটার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও  কম্পিউটার দিয়ে নানান কাজ করার জন্য আমাদের প্রথমে  কম্পিউটার ওন করা শিখতে হবে। তাই সঠিকভাবে কম্পিউটার চালু করা  শেখাটা  অনেক গুরুত্বপূ।  

কম্পিউটার চালু করা আগে আমাদের  দেখে নিতে হবে বৈদ্যুতিক সংযোগ সঠিকভাবে আাছে কি না।  সবকিছু সঠিক ভাবে  দেখে   নেওয়ার পর আমাদের  বৈদুতিক সুইচ  on করে নিতে  হবে । IPS  থাকলে ও তা  on করে নিতে হবে ।  কম্পিউটার এর  পাওয়ার সুইচ on করে নিতে হবে।  প্রয়োজনে  পড়লে মনিটর এর পাওয়ার সুইচ on করে নিতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে কম্পিউটার on হয়ে  যাবে। 

কম্পিউটার বন্ধ করার নিয়মঃ-

কম্পিউটার এর একদম নিচের দিকে   start বাটনে  ক্লিক করি। তারপর একটি মেনু সামনে আসবে । সেই মেনুতে  Shutdown করে একটি লপখা আসবে , তাতে ক্লিক করি।  কিছুক্ষণের মধ্যে কম্পিউটার নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে  যাবে 
কম্পিউটার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে  বৈদ্যুতিক  সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ই 


★উক্ত পদ্ধতিতে কম্পিউটার  ব্যবহার করলে  আমরা কম্পিউটার এর সঠিক  ব্যবহার করতে পারবো। 

Saturday, September 28, 2019

দরখাস্ত লেখার নিয়ম শিখে নিন সহজেই

দরখাস্ত লেখার নিয়ম

আমরা অনেকেই আছি যারা  ভালো করে দরখাস্ত লিখতে পারি  না বা লিখার নিয়ম সঠিক হয় না।  যার কারনে আমরা স্কুল কলেজের পরিক্ষায় ভালো নম্বর  পাই না বা প্রতিষ্ঠানিক জায়গায় দরখাস্ত সাবমিট কারনে তা বাতিল হয়ে যায়। আজকে আমরা সবাই পুরো পুরি সঠিক নিয়মে ও সঠিক ব্যাকারণ ব্যবহার করে দরখাস্ত লিখতে পারব।  


পৃষ্ঠার সাজসজ্জাঃ-

প্রতিষ্ঠানিক ভাবে  কোনো দরখাস্ত লিখতে হলো "A4"  সাইজের  পেপার নেওয়াটা সবচাইতে উওম । আর পরিক্ষার খাতা ডান দিকের পাতা নেওয়াটা বেশি উওম। প্রতিষ্ঠান বা পরিক্ষার খাতায়  দরখাস্ত এক পৃষ্ঠা লিখা ভালো।  উপর ও বাম দিকে  মার্জিন  দিতে হবে।   সাদা পাতা কাগজ ব্যবহার করা ভালো।   লিখা স্পষ্ট করা খুবই জরুরি । 


তারিখে ব্যবহারঃ-

প্রতিটি দরখাস্ত লেখার  শুরুতে তারিখ লিখা  বাধ্যতামূক।  আমার বিভিন্ন ভাবে  তারিখ লিখতে পারি। যেমন-   ( দিন / মাস/বছর) বা (বছর/মাস/দিন) । সাধারনত মাস  মধ্যে দেওয়া ভালো। তাছাড়া দিন,মাস,বছর সংখ্যার মাধ্যমে লিখতে পারেন। দিন মাস এদের মধ্যে আপনারা (,  /  .) উক্ত চিহ্ন ব্যবহার  করতে  পারেন। 

যার কাছে দরখাস্ত লিখবোঃ

কার কাছে দরখাস্ত লিখতে হয় সাধারণত সে বিষয়টি  প্রশ্নে  লিখা থাকে। তাছাড়া কোনো পএিকায় বা  এলাকার  প্রধানে কাছে দরখাস্ত লিখতে  হলে,   সেখানকার প্রধান  এর  পদবি লিখতে হবে     পদবি  লিখার পূর্বে বরাবর লিখতে হবে।  প্রধানের পদবি অর্থাৎ  স্কুল হলে, প্রধান শিক্ষক। কলেজ হলে অধ্যক্ষ। পএিকা হলে সম্পাদক । এলাকায় দিতে হলে  চেয়ারম্যান বা কমিশনার। উক্ত পদ্ধতিতে লিখতে হবে  অর্থাৎ,  

 বরাবর
 প্রতিষ্ঠান এর প্রধানের পদবি। 

প্রতিষ্ঠানের নামঃ

পরিক্ষায় দরখাস্ত লিখার ক্ষেএে স্কুলের নাম দেওয়া থাকবে।  তাছাড়া  স্কুলে দরখাস্ত লিখতে  হলে,  স্কুলের নাম লিখতে হবে।  যে প্রতিষ্ঠানে দরখাস্ত  লিখবো তার নাম লিখবো।  প্রতিষ্ঠানে  নাম লিখার  ক্ষেত্রে পুরো নাম লিখার চেষ্টা করাব  । সংলিপ্ত আকারে নাম না লিখাটা ভালো।

প্রতিষ্ঠানের স্থানঃ

 প্রতিষ্ঠানের নাম লিখার পর ঠিক নিচে   প্রতিষ্ঠানের স্থান অর্থাৎ   প্রতিষ্ঠান  যে জায়গায় অবস্থিত সে জায়গায় নাম লিখা। জায়গায় নাম লিখার ক্ষেত্রে  প্রথমে  এলাকার নাম  পরে  শহরের নাম লিখতে হবে।

বিষয়ঃ- দরখাস্তের বিষয় লিখা অতন্ত্য জরুরি ।  এটি ছাড়া কোনো দরখাস্ত  লিখলে এটি  অসম্পূর্ণ হবে   তাই এটি লিখতে হবে।যেসর্ম্পকে দরখাস্ত লিখবে তাই হলো দরখাস্তের বিষয়।  

মূল অংশঃ 

 এ অংশে দরখাস্ত মূল বিষয়বস্তু  লিখতে হবে।  লিখার শুরুতে "জনাব" হবে।  তারপর বিনতীর সাথে দরখাস্তের লেখা শুরু করতে হবে। তার পরই খুব সহজ ও সুন্দর এবং অল্প ভাষায় লিখতে হবে।  দরখাস্ত লেখার কারণ, করনীয় এবং অনুরূধের সাথে দরখাস্ত মঞ্জুর করার জন্য  বলতে হবে।


নিবেদক  অংশঃ

এ অংশ দরখাস্তের শেষ অংশ। নিবেদক অংশে প্রথমে   নিবেদক  লিখে  তার ঠিক নিচেই করুণা বাণী লিখে   নিজের নাম   সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিতে হবে।       


কাঠামোঃ-
তারিখ
বরাবর
প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদবী
 প্রতিষ্ঠানের নাম
প্রতিষ্ঠানের স্থান
দরখাস্তের বিষয়
জনাব,
মূলবিষয়
নিবেদক

দরখাস্তের দূষণীয় বিষয়ঃ-    দরখাস্তের মধ্যে কাটা ছেঁড়া   করা যাবে না। ২ পাতায় না লিখা ভালো। কঠিন শব্দ ব্যবহার  না করা ভালো। 

*উক্ত পদ্ধতিতে দরখাস্ত লিখলে আশা করছি আাপনারা  সঠিক ভাবে  দরখাস্ত লিখতে পারবেন। 


লেখকঃ zaif ahmed

Monday, August 19, 2019

কিভাবে ফ্রি logo তৈরী করা যায়




কিভাবে ফ্রি logo তৈরী  যায়

Logo হচ্ছে একটি পরিচিতি চিহ্ন,যা অনেক সময় আমাদের প্রয়োজন হয় ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেল এর জন্য,আবার অনেকে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য Logo তৈরি করতে চান কিন্তু Photoshop বা illustrator না জানা থাকায় হতাশ হয়ে পড়েন।আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে Online  ফ্রি logo বানানো যায়

Logo তৈরির বিভিন্ন কৌশলঃ


Logo তৈরি করতে হলে যে নামে লোগো তৈরি করবেন তার সটিক উচ্চারন দেখে নিন এবং নিচের ধাপ গুলো ফলো করুন।

ধাপ ১>>
প্রথমে এই Link এ ক্লিক করে ওয়েবসাইট এ প্রবেশ করুন তারপর নিচের Screen সর্টগুলো ফলো করুন।

উপরের মার্ক করা যে জায়গাটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি হচ্ছে আপনার লোগোর জন্য যে ধরনের গ্রাফিক্স ব্যাবহার করবেন সেটি উপরের চিহ্নিত জায়গায় লিখে সার্চ করুন তারপর আপনার সামনে হাজার হাজার গ্রাফিক্স চলে আসবে সেখান থেকে আপনার পছন্দের Graphics টি বেছে নিন।

ধাপ ২>>
এখন আপনি যদি Logo এর  নিচে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম লিখতে চান তবে উপরের ছবিটির বাম পাশে T নামক একটি আইকন দেখতে পাবেন সেখান থেকে আপনার প্রয়োজনীয় নাম লিখে নিতে পারেন।

ধাপ ৩>>
এবার আপনার লোগোতে রঙ লাগানোর পালা ত উপরের ছবির ডান পাশে কালার পিকার দেখতে পাচ্ছেন সেখান থেকে আপনার লোগোতে ইচ্ছা মত রঙ লাগাতে পারবেন।

Wednesday, August 14, 2019

পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী 2019

এখনকার সময়ে ভ্রমনের ইচ্ছাটা প্রায় সবারই থাকে কেউবা মন ফ্রেশ করার জন্য বিভিন্ন দেশে ভ্রমন করেন আবার কেউবা জিবিকার তাগিদে বিভিন্ন দেশে ভ্রমন করে থাকেন তবে পাসপোর্ট ব্যতিত কোন দেশেই ভ্রমন করা যাবে না,তাই এটি আপনার জন্য অনিবার্য। 


পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী 2019
Image Source:https://commons.wikimedia.org/wiki/File:BD_Passport.jpg


পাসপোর্ট আবেদন ফরম সংগ্রহঃ


ফরম সংগ্রহ করতে হলে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং আন্ধলিক কার্যালয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের বিভাগীয় বিভিন্ন পাসপোর্ট অফিসের ঠিকানা ও কর্মকর্তাদের ফোন নাম্বার পেতে নীচের দেয়া লিংক থেকে পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করতে পারেন।

লিঙ্কঃ http://www.passport.gov.bd/Reports/BGD_MRP_Contact.PDF

এই লিংক থেকে  http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Application_Form[Hard%20Copy].pdf

PDF File টি ডাউন-লোড করে প্রিন্ট করে নিলেই আবেদন-ফরম আপনার হাতে।

ফরম এর নমুনাঃ
পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী 2019

পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী 2019


ধাপ১ঃব্যাংকে পাসপোর্ট ফি জমা দেয়া


পাসপোর্ট ফরম পুরন করার আগেই আপনাকে ব্যাংকে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে হবে কারন যদি অনলাইনে ফরম পুরন করেন সে ক্ষেত্রে ঐ ফরমে ব্যাংকের রিসিট নাম্বার এবং জমা দেয়ার তারিখ অবশ্যই দিতে হবে 
যেসkol ব্যাংকে ফি জমা দেয়া যাবে- ঢাকা ব্যাংক,সোনালি ব্যাংক,ব্যাংক এশিয়া,প্রিমিয়ার ব্যাংক,ওয়ান ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক।এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিস কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর শাখাতে পাসপোর্ট ফি জমা দেয়া যাবে।

সাধারনত Regular পাসপোর্ট ২০ থেকে ৩০ দিন এর মধ্যেই পাওয়া যায়। Regular পাসপোর্ট এর ফি ৩৪৫০ টাকা আর ইমার্জেন্সি বা আর্জেন্ট পাসপোর্ট এর ফি ৬৯০০ টাকা যেটা ৭ থেকে ১০ দিন এর মধ্যেই পাওয়া যায়।

ধাপ২ঃ


দুই-ভাবে আবেদন ফরম পুরন করতে পারেন 1.অনলাইনে 2.পিডিএফ ফাইল প্রিন্ট করে।

১.অনলাইনে যদি ফরম ফিলাপ করতে চান তাহলে এই লিংক এ গিয়ে সরাসরি ফরম ফিলাপ করতে পারবেন সেক্ষেত্রে ফরম পুরন করার পর save and submit বাটনে ক্লিক করলে ফরমটি আর সংশোধন করার কোন পথ নেই।তাই Save and Submit এ ক্লিক করার আগে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে নিন এখন আপনার কাছে একটি পিডিএফ ফাইল আসবে সেটি ডাউনলোড করে রেখে দিন। অন্যতায় ফাইলটি কালার print করেনিন,দুইকপি প্রিন্ট করতে হবে।
২.
উপরের দেয়া লিংক থেকে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করুন।এই ফাইলটি এডিটেবল অর্থাৎ পিডিএফ ফাইলেই আপনি ফরম পুরন করতে পারবেন তবে সেটি সেইভ করে রাখা যায় না,তাই তৎক্ষনাৎ ফাইলটি প্রিন্ট করতে হবে।অবশ্যই ফরমটি দুই কপি কালার print করতে হবে ফরমের চারটি পৃষ্টা,দুটি পাতায় দুইপিঠ প্রিন্ট করতে হবে।

ফরম পুরনের নিয়মাবলীঃ


*সম্পূর্ণ নির্দেশিকাটির PDF file পাবেন উক্ত ওয়েবসাইটের “MRP Related Instructions > Online Application Guide” -এই অপশনে ক্লিক করলে।



ধাপ ৩ঃ  ফরম জমা দেয়ার পূর্ববর্তী কাজ


এবার আপনাকে পূরণকৃত Formটি পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে। তার আগে ফরম গোছিয়ে নিতে হবে।
* Form এ দেখুন আপনার পূরণ করা অংশ ছাড়াও কিছু স্থানে আপনার স্বাক্ষর দিতে বলা আছে সেখানে স্বাক্ষর দিন।
* নিজের ৪ কপি রঙিন পাসপোর্ট সাইজএর ছবি (55×45 m.m.) প্রস্তুত রাখুন। ছবি অবশ্যই সদ্য তোলা হতে হবে এবং সাদা পোশাক, টুপি ও সানগ্লাস পরে ছবি তোলা যাবে না।
অপ্রাপ্ত বয়স্ক (under age) (১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে তার পিতা এবং মাতার একটি করে রঙ্গিন ছবি (৩০×২৫ মি.মি.) লাগবে।
* জাতীয় পরিচয়পত্র (NID Card) অথবা (Birth Certificate) জন্ম সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি লাগবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহের (যেমনঃ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) সত্যায়িত ফটোকপি লাগবে।
এছাড়া-
1) চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত সনদ/ ভোটার আইডি কার্ড (NID Card)(জাতীয় পরিচয়পত্রের বিকল্পস্বরূপ) এবং বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিল/ বাড়ির দলিলের ফটোকপি ইত্যাদি।
2) (Non Government) বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র/পরিচয়পত্র।
3) ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট (School/Collage/University) প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়ন পত্র/ পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
ঘ) অফিসিয়াল পাসপোর্টের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জি ও (GO)/ এনওসি (NOC) প্রধান করতে হবে। কূটনৈতিক(Political) বা ডিপলোম্যাটিক পাসপোর্টের জন্য পূরণকৃত ফরম ও সংযুক্তিসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে জমা দিতে হবে।
4) (Photo)ছবি এবং ব্যাংকের টাকা জমা দেয়ার রশিদটি আঠা/গম দিয়ে ফরমের সাথে লাগাতে হবে। স্ট্যাপল বা পিন করা যাবে না। এরপর ছবি সত্যায়িত করতে হবে। এক্ষেত্রে সত্যায়নের লেখাটির অবস্থান এমন হবে যাতে এর অর্ধেক ছবির উপর আর বাকি অর্ধেক Form এর উপর থাকে।
যে সকল ব্যক্তিবর্গ পাসপোর্টের আবেদনপত্র(Form) ও ছবি(Photo) প্রত্যায়ন এবং সত্যায়ন করতে পারবেন তারা হলেন:
(M.P)সংসদ সদস্য, City Corporation এর মেয়র, Deputy মেয়র ও কাউন্সিলরগণ, কাউন্সিলরগণ, গেজেটেড কর্মকর্তা, Public Universityর শিক্ষক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও Vice চেয়ারম্যান, Union পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ, বেসরকারী Universityর অধ্যাপক(Principal), বেসরকারি Collage এর অধ্যক্ষ(Principal), (Non Government)বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, নোটারী পাবলিক ও আধা সরকারী/ স্বায়ত্বশাসিত / রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।

ধাপ ৪ঃ ফরম জমাদান

Form জমা দেয়ার নির্ধারিত দিন পাসপোর্ট অফিসে খুব সকাল সকাল যাওয়াই উত্তম কারণ অনেক ভীড় হয়ে থাকে। সরাসরি আপনার ফরম সাথে নিয়ে উপস্থিত সেনা সদস্যকে জানান আজ আপনার ছবি(Photo) তোলার দিন নির্ধারিত আছে। তিনি আপনাকে দেখিয়ে দিবে কোথায় Form সহ আপনাকে যেতে হবে। সাদা পোশাক পরবেন না, ফরমাল পোশাক পরিধান করে যাবেন।
সেদিন আপনার ছবি(Photo) তোলা, আঙ্গুলের ছাপ(Bio-Metric) বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া ইত্যাদি কাজ করা হবে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে পুলিশ ভেরিফিকেশন। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয়, তবে দুই জায়গাতেই পুলিশ ভেরিফিকেশান হয়ে থাকে।

ধাপ ৫ঃ পাসপোর্ট সংগ্রহ

Processing চলার মাঝেই আপনার কাজ হয়ে গেলে মোবাইলে একটি Massage আসবে বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিস থেকে। এটি আপনার পাসপোর্ট বুঝে নেয়ার তারিখ। আপনি নির্ধারিত সময়ে গিয়ে পাসপোর্টটি বুঝে নিয়ে আসুন।
পাসপোর্ট সংগ্রহের পর আপনার পাসপোর্ট ভেরিফাইড হয়েছে কি না তা যাচাই করুন এই লিংকে-  http://www.immi.gov.bd/passport_verify.php
হয়তো আপনি Bucket list তৈরি করে রেখেছেন কোন কোন দেশে ঘুরবেন, কি কি করবেন! অথবা হয়তো আপনাকে যেতে হবে MIT, Oxford, Stanford কিংবা Princeton বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে। আবার, না হোক তবু আপনার বা পরিবারের কারো কিছু হয়ে গেলে চিকিৎসার প্রয়োজনে  বিদেশে যেতে হতেই পারে। তাই সকলের উচিত আগেই থেকেই পাসপোর্ট তৈরি(Ready) করে রাখা।সুন্দর হোক সকলের জীবন।নিরাপদ হোক বিদেশ যাত্রা।
Reference:
  1. http://janaojananews.net/পাসপোর্ট-করার-নতুন-নিয়ম/
  2. http://banglaetc.com/২০১৮-সালের-পাসপোর্ট-করার/
  3. http://www.dip.gov.bd                                                                                                                       
  4. https://10minuteschool.com/blog/passport/                                                                                          
  5. Tags:পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী 2019, পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম,পাসপোর্ট

Wednesday, April 24, 2019

email account open করার নিয়ম



অনেক সময় email account খুব দরকার হয় কিন্তু আপনার কাছে email account নেই কিন্তু আপনি চাইলেই খুব সহজে একটি email account খুলতে পারবেন আজকে আমরা শিখব email account open করার নিয়ম সম্পর্কে ত চলুন মূল পর্বে।

প্রথম ধাপঃ

আপনার মোবাইল অথবা পিসি থেকে ক্রোম (chrome) ব্রাউজার টি ওপেন করে নিন,তারপর চলে যান গুগল ডট কম এ নিচের চিত্রের মত sign in এ ক্লিক করুন।




দ্বিতীয় ধাপঃ

সাইন-ইন এ ক্লিক করার পর নিচের মত একটি ফরম ওপেন হলে Create Account (একাউন্ট তৈরি করুন) এ ক্লিক করুন।



তৃতীয় ধাপঃ

এবার নিচের মত একটি ফরম ওপেন হলে আপনার নাম ইউজার নেম পাসওয়ার্ড দিন মনে রাখবেন পাসওয়ার্ড দেয়ার ক্ষেত্রে আঁটটি সংখ্যা অতবা শব্দ ব্যবহার করতে হবে।



চতুর্থ ধাপঃ

এবার আপনার ফোন নাম্বার জন্ম তারিখ এবং লিঙ্গ নির্বাচন করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন,নিচের চিত্রের মত।



পঞ্চম ধাপঃ

আপনার ফোন ভেরিফাই করার জন্য পাঠান বাটনে ক্লিক করুন।

ষষ্ট ধাপঃ

এবার আপনার ফোন এ একটি OTP কোড যাবে সেই কোড দিয়ে ভেরিফাই করার জামেলা শেষ করুন।




সপ্তম ধাপঃ

নিচের চিত্র গুলো ফলো করুন।






শেষ ধাপঃ
ব্যাস হয়ে গেল আপনার একটি email account নিচের চিত্রের মত ক্লিক করলেই জ্বলজ্বল করে ভেসে উঠবে আপনার email address.



উপকৃত হলে কমেন্ট করবেন,ধন্যবাদ।




অন্যান্য পোস্টঃ পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী

Sunday, April 21, 2019

কিভাবে assignment লিখতে হয়


কিভাবে assignment লিখতে হয়


অফিস কিংবা স্কুল কলেজের জন্য অনেক সময় assignment লিখার প্রয়োজন পড়ে,কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা কিভাবে assignment লিখতে হয়।তাই আজকে আমরা assignment লিখার বিভিন্ন কৌশল শিখব।


বিষয়বস্তু দেখুনঃ

আপনি যে বিষয়ে assignment লিখবেন তা নিয়ে একটু চিন্তা ভাবনা করুন তার আগে A4 সাইজের বেশ কয়েকটি কাগজের পাতা জোগাড় করে রাখুন চিন্তা ভাবনা করার পরও যদি মাথায়  কিছুই আসে না তাহলে গুগল মামা আছেই।

লিখবেন যেভাবেঃ

সম্পূর্ণ বিষয়বস্তু নিয়ে পূর্ণ ধারনা পাওয়ার পর এবার লিখার পালা একটি A4 সাইজের কাগজ নিন এবং কাগজের তিন পাশে ১ইঞ্চির মত ছেড়ে মার্জিন করে নিন, মার্জিন দেওয়ার পর উপরে সুন্দর করে সাজিয়ে (বিষয়বস্তু) লিখুন নিচের চিত্রের মত যাতে তা নজরে পড়ে।
কিভাবে assignment লিখতে হয়

সাধারন শব্দ ব্যবহারঃ

যে assignment লিখবেন তাতে চিন পরিচিত শব্দ ব্যবহার করবেন যাতে পাঠক এর পড়তে সুবিদা হয়, নিজের কাছে পরিচিত এমন শব্দ ব্যাবহার করবেন,কারন সাধারন শব্দ ব্যাবহার এর ফলে লেখা মার্জিত হয়, মনে রাখবেন মার্জিত লেখা সকলের ই পছন্দ।

অনুচ্ছেদ আকারে লিখুনঃ

চেষ্টা করবেন সবসময় অনুচ্ছেদ আকারে লেখার জন্য কারন অনুচ্ছেদ আকারে লিখার ফলে সম্পূর্ণ বিষয় এর সম্পর্কে বিস্তারিত লিখা সম্বভ, তবে অতিরিক্ত লম্বা অনুচ্ছেদ পাঠকের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। অনুচ্ছেদ ছোট হলে পাঠকের জন্য সুবিধা হয়।


পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী

Monday, April 15, 2019

কিভাবে android app বানানো যায়




কিভাবে andoid app বানানো যায়? এই প্রশ্নটা একবার হলেও আপনার মনে হয়েছে অতবা আপনি চিন্তা করেন আসলে কিভাবে app গুলো বানায় এই সকল চিন্তা ভাবনা আপনার মন থেকে একদম সরিয়ে দেবে এই টিউটরিয়াল ত চলুন কথা না বাড়িয়ে ডুকে পড়ি এপপস ডেবলাপমেন্ট এর দুনিয়ায়।



প্রফেশনাল এপপ ডেবলাপার

আমরা সকলেই প্রায় অনলাইনে শপিং করে থাকি শপিং করার ক্ষেত্রে যেই ধরনের android app আমরা ব্যবহার করি সেগুলো কে প্রফেশনালা এপপ বলা হয় এধরনের আর অনেক এপপস আছে যেমন পাটাও এবং উবার এর এপপ। এই ধরনের এপপ যদি বানাতে চান তাহলে আপনাকে প্রফেশনাল এপপ ডেবলাপার হতে হবে।এখন কিভাবে হবেন একজন প্রফেশনাল android apps ডেবলাপার, একজন এপপ ডেবলাপার হতে হলে আপনাকে জাভা প্রগ্রামিং শিখতে হবে এবং এন্ড্রয়েড স্টুডিও শিখতে হবে যখন এগুলো শিখে ফেলবেন তখন আপনি হয়ে যাবেন একজন প্রফেশনাল android apps  ডেবলাপার।


ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে কোডিং ছাড়া android apps ডেবলাপমেন্ট


thunkable kodular appybuilder এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি বিনা কোডিং দক্ষতা ছাড়া android app ডেবলাপ করতে পারবেন। কিন্তু এই ওয়েবসাইট গুলো দিয়ে এপপস  বানিয়ে আপনি নিজেকে একজন প্রফেশনাল এপপ ডেবলাপার বলতে পারবেন না।এই ধরনের ওয়েবসাইট দিয়ে আপনি এপপ বানিয়ে গুগল প্লে স্টোর এ আপলোড দিতে পারবেন না কারন গুগল এই ধরনের এপপস গুলা সাপোর্ট করে না।

এপপস ডেবলাপমেন্ট  এ ক্যারিয়ার


আপনি যদি android apps ডেবলাপমেন্ট এ নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান অতবা একটা আয়ের পথ তৈরী করতে চান তাহলে আপনাকে ১ বৎসর সময় ব্যয় করতে হবে এন্ড্রয়েড এপপস ডেবলাপমেন্ট শিখার জন্য।একবার আপনি শিখে গেলে আর আপনাকে পেছনে ফিরে থাকাতে হবে না কারন পুরো পৃথিবী জুড়ে রয়েছে এন্ড্রয়েডের রাজত্ব।

এন্ড্রয়েড এপপ ডেবলাপমেন্ট করে কেমন আয় হবে?


আপনি বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারেন যেমন কোন কোম্পানীর অধিনে কাজ করে অথবা ফ্রিল্যান্সিং করেও আয় করতে পারেন তাছাড়া এপপ বানিয়ে প্লে স্টোর এ আপলোড করে গুগল এডমুভ এর মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করতে পারবেন।



পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী