Saturday, September 28, 2019

দরখাস্ত লেখার নিয়ম শিখে নিন সহজেই

দরখাস্ত লেখার নিয়ম

আমরা অনেকেই আছি যারা  ভালো করে দরখাস্ত লিখতে পারি  না বা লিখার নিয়ম সঠিক হয় না।  যার কারনে আমরা স্কুল কলেজের পরিক্ষায় ভালো নম্বর  পাই না বা প্রতিষ্ঠানিক জায়গায় দরখাস্ত সাবমিট কারনে তা বাতিল হয়ে যায়। আজকে আমরা সবাই পুরো পুরি সঠিক নিয়মে ও সঠিক ব্যাকারণ ব্যবহার করে দরখাস্ত লিখতে পারব।  


পৃষ্ঠার সাজসজ্জাঃ-

প্রতিষ্ঠানিক ভাবে  কোনো দরখাস্ত লিখতে হলো "A4"  সাইজের  পেপার নেওয়াটা সবচাইতে উওম । আর পরিক্ষার খাতা ডান দিকের পাতা নেওয়াটা বেশি উওম। প্রতিষ্ঠান বা পরিক্ষার খাতায়  দরখাস্ত এক পৃষ্ঠা লিখা ভালো।  উপর ও বাম দিকে  মার্জিন  দিতে হবে।   সাদা পাতা কাগজ ব্যবহার করা ভালো।   লিখা স্পষ্ট করা খুবই জরুরি । 


তারিখে ব্যবহারঃ-

প্রতিটি দরখাস্ত লেখার  শুরুতে তারিখ লিখা  বাধ্যতামূক।  আমার বিভিন্ন ভাবে  তারিখ লিখতে পারি। যেমন-   ( দিন / মাস/বছর) বা (বছর/মাস/দিন) । সাধারনত মাস  মধ্যে দেওয়া ভালো। তাছাড়া দিন,মাস,বছর সংখ্যার মাধ্যমে লিখতে পারেন। দিন মাস এদের মধ্যে আপনারা (,  /  .) উক্ত চিহ্ন ব্যবহার  করতে  পারেন। 

যার কাছে দরখাস্ত লিখবোঃ

কার কাছে দরখাস্ত লিখতে হয় সাধারণত সে বিষয়টি  প্রশ্নে  লিখা থাকে। তাছাড়া কোনো পএিকায় বা  এলাকার  প্রধানে কাছে দরখাস্ত লিখতে  হলে,   সেখানকার প্রধান  এর  পদবি লিখতে হবে     পদবি  লিখার পূর্বে বরাবর লিখতে হবে।  প্রধানের পদবি অর্থাৎ  স্কুল হলে, প্রধান শিক্ষক। কলেজ হলে অধ্যক্ষ। পএিকা হলে সম্পাদক । এলাকায় দিতে হলে  চেয়ারম্যান বা কমিশনার। উক্ত পদ্ধতিতে লিখতে হবে  অর্থাৎ,  

 বরাবর
 প্রতিষ্ঠান এর প্রধানের পদবি। 

প্রতিষ্ঠানের নামঃ

পরিক্ষায় দরখাস্ত লিখার ক্ষেএে স্কুলের নাম দেওয়া থাকবে।  তাছাড়া  স্কুলে দরখাস্ত লিখতে  হলে,  স্কুলের নাম লিখতে হবে।  যে প্রতিষ্ঠানে দরখাস্ত  লিখবো তার নাম লিখবো।  প্রতিষ্ঠানে  নাম লিখার  ক্ষেত্রে পুরো নাম লিখার চেষ্টা করাব  । সংলিপ্ত আকারে নাম না লিখাটা ভালো।

প্রতিষ্ঠানের স্থানঃ

 প্রতিষ্ঠানের নাম লিখার পর ঠিক নিচে   প্রতিষ্ঠানের স্থান অর্থাৎ   প্রতিষ্ঠান  যে জায়গায় অবস্থিত সে জায়গায় নাম লিখা। জায়গায় নাম লিখার ক্ষেত্রে  প্রথমে  এলাকার নাম  পরে  শহরের নাম লিখতে হবে।

বিষয়ঃ- দরখাস্তের বিষয় লিখা অতন্ত্য জরুরি ।  এটি ছাড়া কোনো দরখাস্ত  লিখলে এটি  অসম্পূর্ণ হবে   তাই এটি লিখতে হবে।যেসর্ম্পকে দরখাস্ত লিখবে তাই হলো দরখাস্তের বিষয়।  

মূল অংশঃ 

 এ অংশে দরখাস্ত মূল বিষয়বস্তু  লিখতে হবে।  লিখার শুরুতে "জনাব" হবে।  তারপর বিনতীর সাথে দরখাস্তের লেখা শুরু করতে হবে। তার পরই খুব সহজ ও সুন্দর এবং অল্প ভাষায় লিখতে হবে।  দরখাস্ত লেখার কারণ, করনীয় এবং অনুরূধের সাথে দরখাস্ত মঞ্জুর করার জন্য  বলতে হবে।


নিবেদক  অংশঃ

এ অংশ দরখাস্তের শেষ অংশ। নিবেদক অংশে প্রথমে   নিবেদক  লিখে  তার ঠিক নিচেই করুণা বাণী লিখে   নিজের নাম   সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিতে হবে।       


কাঠামোঃ-
তারিখ
বরাবর
প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদবী
 প্রতিষ্ঠানের নাম
প্রতিষ্ঠানের স্থান
দরখাস্তের বিষয়
জনাব,
মূলবিষয়
নিবেদক

দরখাস্তের দূষণীয় বিষয়ঃ-    দরখাস্তের মধ্যে কাটা ছেঁড়া   করা যাবে না। ২ পাতায় না লিখা ভালো। কঠিন শব্দ ব্যবহার  না করা ভালো। 

*উক্ত পদ্ধতিতে দরখাস্ত লিখলে আশা করছি আাপনারা  সঠিক ভাবে  দরখাস্ত লিখতে পারবেন। 


লেখকঃ zaif ahmed

0 Please Share a Your Opinion.: